অন্যান্য জনসমাগমস্থল
⌖ জয়পুরহাট সদর, জয়পুরহাট · জয়পুরহাট সদর · জয়পুরহাট · রাজশাহী
“জয়পুরহাটে মাদক সিন্ডিকেট নিয়ে গুরুতর অভিযোগ জয়পুরহাট সদর উপজেলায় শ্রমিক নেতা পরিচয়ধারী এক ব্যক্তিকে ঘিরে ইয়াবা, ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন মাদক কারবার, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট পরিচালনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক সরবরাহের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক পরিচালনা করেন এবং নিয়মিত বড় পরিমাণে মাদক এনে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করেন। আরও অভিযোগ, প্রশাসনের কিছু অসাধু সদস্যকে নিয়মিত অর্থ দেওয়ার মাধ্যমে তিনি দীর্ঘদিন ধরে নির্বিঘ্নে মাদক কারবার চালিয়ে যাচ্ছেন। এসব অভিযোগের সত্যতা অবশ্যই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই ব্যক্তি শাহ ফতেহ আলী বাস কাউন্টারে বসেন এবং হুডা/মোটরসাইকেল নিয়ে চলাফেরা করেন। তার চলাফেরা ও ওই কাউন্টারকে ঘিরে মাদক সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন যোগাযোগ পরিচালিত হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হলো—আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি অভিযানে তার কাছ থেকে ফেনসিডিল শনাক্ত/উদ্ধার হওয়ার পরও তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয়দের দাবি, একজন প্রভাবশালী শ্রমিক নেতার প্রভাবের কারণেই ওই সময় তাকে আটক করা যায়নি। তবে এ দাবির সত্যতা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট অভিযান ও প্রশাসনিক নথি যাচাই করা জরুরি। তার বিরুদ্ধে কথা বললে ভয়ভীতি, হামলা কিংবা তুলে নেওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। অতীতে কয়েকজন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকেও কেউ কেউ তার প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে দাবি করছেন। তবে এসব গুরুতর অভিযোগের স্বাধীন প্রমাণ ছাড়া কাউকে দায়ী করা উচিত নয়; যথাযথ তদন্তের মাধ্যমেই প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসতে পারে। অভিযোগগুলো সত্য হলে এটি শুধু একজন মাদক ব্যবসায়ীর বিষয় নয়—এর সঙ্গে জড়িত পুরো মাদক নেটওয়ার্ক, অর্থের লেনদেন, সহযোগী ও পৃষ্ঠপোষকদেরও তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন। জয়পুরহাটের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও মাদক নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে এসব অভিযোগের দ্রুত, নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্ত এবং প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হচ্ছে।”