প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গা থেকে আওয়াজ তুলুন। একেকটি সচেতন কণ্ঠস্বরই একদিন দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করার শক্তি হয়ে উঠবে।
🟢 লাইভ ভিজিটর: ১২ জন📅 আজকের মোট ভিজিটর: ৪২১ জন🗓️ গতকালের মোট ভিজিটর: ১১২৮ জন📊 সর্বমোট ভিজিটর: ৬১৯০০ জন
#১৫৯অন্যান্য জনসমাগমস্থল
৳১,০০,০০০
জোরপূর্বক অর্থ আদায়দেওয়া হয়েছে
🗺️ ম্যাপ

অন্যান্য জনসমাগমস্থল

⌖ জয়পুরহাট সদর, জয়পুরহাট · জয়পুরহাট সদর · জয়পুরহাট · রাজশাহী

“জয়পুরহাটে মাদক সিন্ডিকেট নিয়ে গুরুতর অভিযোগ জয়পুরহাট সদর উপজেলায় শ্রমিক নেতা পরিচয়ধারী এক ব্যক্তিকে ঘিরে ইয়াবা, ফেনসিডিলসহ বিভিন্ন মাদক কারবার, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট পরিচালনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক সরবরাহের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক পরিচালনা করেন এবং নিয়মিত বড় পরিমাণে মাদক এনে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করেন। আরও অভিযোগ, প্রশাসনের কিছু অসাধু সদস্যকে নিয়মিত অর্থ দেওয়ার মাধ্যমে তিনি দীর্ঘদিন ধরে নির্বিঘ্নে মাদক কারবার চালিয়ে যাচ্ছেন। এসব অভিযোগের সত্যতা অবশ্যই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই ব্যক্তি শাহ ফতেহ আলী বাস কাউন্টারে বসেন এবং হুডা/মোটরসাইকেল নিয়ে চলাফেরা করেন। তার চলাফেরা ও ওই কাউন্টারকে ঘিরে মাদক সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন যোগাযোগ পরিচালিত হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে। সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হলো—আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি অভিযানে তার কাছ থেকে ফেনসিডিল শনাক্ত/উদ্ধার হওয়ার পরও তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয়দের দাবি, একজন প্রভাবশালী শ্রমিক নেতার প্রভাবের কারণেই ওই সময় তাকে আটক করা যায়নি। তবে এ দাবির সত্যতা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট অভিযান ও প্রশাসনিক নথি যাচাই করা জরুরি। তার বিরুদ্ধে কথা বললে ভয়ভীতি, হামলা কিংবা তুলে নেওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। অতীতে কয়েকজন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাকেও কেউ কেউ তার প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে দাবি করছেন। তবে এসব গুরুতর অভিযোগের স্বাধীন প্রমাণ ছাড়া কাউকে দায়ী করা উচিত নয়; যথাযথ তদন্তের মাধ্যমেই প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসতে পারে। অভিযোগগুলো সত্য হলে এটি শুধু একজন মাদক ব্যবসায়ীর বিষয় নয়—এর সঙ্গে জড়িত পুরো মাদক নেটওয়ার্ক, অর্থের লেনদেন, সহযোগী ও পৃষ্ঠপোষকদেরও তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন। জয়পুরহাটের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও মাদক নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে এসব অভিযোগের দ্রুত, নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্ত এবং প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হচ্ছে।”

থানার ওসি, জেলা পুলিশ সুপার ও বিভাগীয় পুলিশ অফিসে ইমেইল পাঠানো হয়েছে।

← সব রিপোর্ট দেখুন

একই এলাকার অন্যান্য রিপোর্ট।

জয়পুরহাট সদর · জয়পুরহাট
#৪৭৩অন্যান্য জনসমাগমস্থল
৳৫,০০০
জোরপূর্বক অর্থ আদায়দেওয়া হয়েছে
🗺️ ম্যাপ

অন্যান্য জনসমাগমস্থল

⌖ মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স, জয়পুরহাট সদর, সেতুর বাড়ীর রাস্তা · জয়পুরহাট সদর · জয়পুরহাট · রাজশাহী

“আমাকে মামলার ভয় দেখিয়ে টাকা নিয়েছে সদর থানার পুলিুশ। পুলিশ বলেছে যে সার্কেল সদর এডিশনাল এসপি নিবে তাই ৫ হাজার টাকা নিয়েছে। বিচার চাই। আমি সেতু, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স এর পাশে বাসা। এই পুলিশের ভশে বাড়ি যেতে পারি না।”

থানার ওসি, জেলা পুলিশ সুপার ও বিভাগীয় পুলিশ অফিসে ইমেইল পাঠানো হয়েছে।
#১৮৯ঠিকাদারি ও সরবরাহ
৳২,০০,০০০
জোরপূর্বক অর্থ আদায়দেওয়া হয়েছে
🗺️ ম্যাপ

ঠিকাদারি ও সরবরাহ

⌖ মাদক সরবরাহ না করতে চাওয়ার ফলে মারধোর, আটক ও ২ লক্ষ টাকা চাঁদা নেয় শাল ফতেহ আলীর কাউন্টারে বসা হিন্দু শ্রমিক নেতা, মাদক · জয়পুরহাট সদর · জয়পুরহাট · রাজশাহী

“জয়পুরহাটে মাদক সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজির অভিযোগ: তদন্তের দাবি জয়পুরহাটে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং শ্রমিক সংগঠনের পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত এ...” আরও পড়ুন →

থানার ওসি, জেলা পুলিশ সুপার ও বিভাগীয় পুলিশ অফিসে ইমেইল পাঠানো হয়েছে।
#১৮১ঠিকাদারি ও সরবরাহ
৳২৫,০০,০০০
অন্যান্যদেওয়া হয়েছে
🗺️ ম্যাপ

ঠিকাদারি ও সরবরাহ

⌖ পাচুর মোড় ফতে আলী পরিবহনের ইয়াবা ব্যাবসায়ী মাফিয়া শ্রমিক নেতা, যে হোন্ডা নিয়ে চলাফেরা করে · জয়পুরহাট সদর · জয়পুরহাট · রাজশাহী

“জয়পুরহাটে মাদক সিন্ডিকেট নিয়ে গুরুতর অভিযোগ জয়পুরহাটে এক প্রভাবশালী শ্রমিক নেতার পরিচয় ব্যবহার করে মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, পাঁচবিবী থেকে মাদক এনে জয়পুরহাটের বিভিন্ন হোটেল ও শাহ ফতেহ আলী বাস কাউন্টারক...” আরও পড়ুন →

থানার ওসি, জেলা পুলিশ সুপার ও বিভাগীয় পুলিশ অফিসে ইমেইল পাঠানো হয়েছে।
#১৪৬বাড়ি / আবাসিক এলাকা
৳১০,০০০
জোরপূর্বক অর্থ আদায়দেওয়া হয়েছে
🗺️ ম্যাপ

বাড়ি / আবাসিক এলাকা

⌖ পাঁচবিবি রাস্তা পাঁচুর মোড় · জয়পুরহাট সদর · জয়পুরহাট · রাজশাহী

“জয়পুরহাট সদর উপজেলার পাঁচুরমনে বন্ধুর বাড়ি নির্মাণকাজে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, জেলা যুবদলের সদস্য সচিবের লোকজন প্রথমে ১০ হাজার টাকা নেয়, পরে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। স্থানীয় শ্রমিক নেতা ও অমুল্য নামের আরও কয়েকজনের উপস্থিতির কথাও বলা...” আরও পড়ুন →

থানার ওসি, জেলা পুলিশ সুপার ও বিভাগীয় পুলিশ অফিসে ইমেইল পাঠানো হয়েছে।
Admin-কে জানান

এই কার্ডটি রিপোর্ট করুন