বাড়ি / আবাসিক এলাকা
⌖ ডুমুরতলা · নড়াইল সদর · নড়াইল · খুলনা
“আমি একজন সাধারণ ব্যবসায়ী এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার (কোটা সংস্কার) আন্দোলনে একজন সক্রিয় অংশগ্রহণকারী। অত্যন্ত দুঃখ ও ক্ষোভের সাথে জানাচ্ছি যে, গত ৫ আগস্টের পর থেকে আমাদের এলাকায় রাশেদ বেগ, মনিরুল এবং তাদের অন্যান্য সহযোগীরা (যারা নিজেদের বিএনপি কর্মী(যুবদল) চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। ঘটনার পেক্ষাপট ও সূত্রপাত: ২০১৬ সালের একটি সালিশকে কেন্দ্র করে এই ব্যক্তিরা আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অযৌক্তিকভাবে চাঁদা দাবি করেছিল। তখন আমরা আইনের আশ্রয় নিই এবং থানায় অভিযোগ দিলে পুলিশ এসে সুষ্ঠুভাবে সমস্যার সমাধান করে দেয়। কিন্তু সেই ঘটনার আক্রোশ তারা দীর্ঘসময় ধরে মনে পুষে রেখেছিল। চাঁদাবাজি ও হুমকির ঘটনা: গত ৫ আগস্ট পটপরিবর্তনের পর তারা পূর্বের সেই ক্ষোভ থেকে আমাদের ওপর চড়াও হয়। তারা আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জোরপূর্বক বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে 'আওয়ামী লীগের দোসর' আখ্যা দিয়ে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। ব্যবসা বাঁচাতে এবং পরিবারের নিরাপত্তার কথা ভেবে আমরা তাদের চাঁদা দিতে বাধ্য হই। তারা আমার কাছ থেকে: প্রথমে বিকাশের মাধ্যমে ১৫,০০০ (পনেরো হাজার) টাকা হাতিয়ে নেয়। পরবর্তীতে আরও ২০,০০০ (বিশ হাজার) টাকা আদায় করে। এলাকায় তাদের অন্যান্য অপকর্ম: শুধু আমার সাথেই নয়, ৫ আগস্টের পর থেকে এই চক্রটি এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে এবং সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে কোটি কোটি টাকার চাঁদাবাজি করেছে। আমি নিজে একটি বৈষম্যহীন ও নিরাপদ সমাজের স্বপ্নে কোটা আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলাম, কিন্তু আজ নিজ দেশেই এমন চাঁদাবাজি ও অবিচারের শিকার হয়ে আমি গভীরভাবে হতাশ। আমি এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে রাশেদ বেগ, মনিরুল ও তাদের সন্ত্রাসী বাহিনীর চাঁদাবাজির ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দ্রুত বিচার দাবি করছি।”