ঠিকাদারি ও সরবরাহ
⌖ মাদক সরবরাহ না করতে চাওয়ার ফলে মারধোর, আটক ও ২ লক্ষ টাকা চাঁদা নেয় শাল ফতেহ আলীর কাউন্টারে বসা হিন্দু শ্রমিক নেতা, মাদকের ঠিকাদার, পাঁচুর মোর · জয়পুরহাট সদর · জয়পুরহাট · রাজশাহী
“জয়পুরহাটে মাদক সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজির অভিযোগ: তদন্তের দাবি জয়পুরহাটে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং শ্রমিক সংগঠনের পরিচয় ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত এক শ্রমিক নেতার নামও স্থানীয়ভাবে উঠে এসেছে। তবে এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি; তাই নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন জরুরি। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের এক সাধারণ সম্পাদকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত এবং সেই প্রভাব ব্যবহার করে এলাকায় দাপট দেখান। পাঁচবিবীসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদক এনে জয়পুরহাটের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের নেটওয়ার্কের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। তিনি শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের বাস কাউন্টারে বসেন এবং হোন্ডা/মোটরসাইকেলে চলাফেরা করেন বলেও স্থানীয়দের দাবি। সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ, গুলশান মোড় এলাকায় ‘সেতু’ নামে এক তরুণকে জোরপূর্বক আটক করে একটি ক্লাবে নিয়ে দুই লাখ টাকা চাঁদা নেওয়া হয়। তাকে ভয় দেখিয়ে মাদক সরবরাহে বাধ্য করার এবং পরে কাজ ছেড়ে দিতে চাইলে মারধর ও কয়েক দিন আটকে রাখার অভিযোগও রয়েছে। বর্তমানে প্রাণভয়ে ওই তরুণ জয়পুরহাটের বাইরে অবস্থান করছেন—এমন দাবিও করা হয়েছে। আরও অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বিভিন্ন জায়গায় বলে বেড়ান যে প্রতি মাসে প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে প্রায় ২৫ লাখ টাকা দিতে হয় এবং নিজেকে মাদকের ‘ঠিকাদার’ হিসেবেও পরিচয় দেন। এসব দাবি সত্য হলে অর্থের উৎস, লেনদেন ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা তদন্ত করা অত্যন্ত জরুরি। তার বিরুদ্ধে ব্যবসায়ীদের ভয় দেখানো, লোকজনের অবস্থান বা লোকেশন সংগ্রহ, হয়রানি এবং চাঁদা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে। প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা বা সদস্যের সঙ্গে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ সত্য হলে তাদের বিরুদ্ধেও স্বাধীন তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তবে কোনো ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয়কে অপরাধের সঙ্গে যুক্ত করা উচিত নয়। বিচার ও তদন্ত হতে হবে কেবল কর্মকাণ্ড ও প্রমাণের ভিত্তিতে। জয়পুরহাটবাসীর দাবি—অভিযোগগুলো রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত বিরোধ হিসেবে নয়, গুরুতর অপরাধের অভিযোগ হিসেবে তদন্ত করা হোক। মাদক সিন্ডিকেট, চাঁদাবাজি, কথিত অর্থ লেনদেন এবং পৃষ্ঠপোষকদের শনাক্ত করে সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আইনের আওতায় আনা হোক। #জয়পুরহাট #মাদক #চাঁদাবাজি #তদন্ত #আইনেরশাসন”