অন্যান্য জনসমাগমস্থল
⌖ মহাখালী ডিজি অফিস · উত্তরা পূর্ব · ঢাকা · ঢাকা
“মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের বদলি-বাণিজ্য ও অর্থ আদায়ের বিষয়ে আমার প্রত্যক্ষ বক্তব্য আমি একজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট হিসেবে আমার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা ও আমার কাছে থাকা তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে জানাচ্ছি যে, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে দেশের বিভিন্ন সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও টেকনিশিয়ানদের বদলি-পদায়নকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অর্থ আদায় ও হয়রানি চলছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, জেলা সদর হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বিশেষায়িত হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরতদের কাছ থেকে প্রায় ২ লাখ টাকা করে অর্থ দাবি করা হচ্ছে। নির্ধারিত অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে দূরবর্তী স্থানে বদলি বা হয়রানিমূলক পদায়নের চাপ দেওয়া হচ্ছে। আমি স্পষ্টভাবে বলছি, এটি কোনো অনুমান বা শোনা কথা নয়। আমি নিজে বিষয়টির বাস্তবতা সম্পর্কে প্রত্যক্ষভাবে অবগত । আমার কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, Medical Technology Association of Bangladesh (M-TAB)-এর সভাপতি খাজা মইনুদ্দিন মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক বিপ্লবের জামান বিপ্লব এবং সহ-সভাপতি রুহুল আমিন এই কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত। তারা টাঙ্গাইল জেলার হওয়ায় টাঙ্গাইল থেকে অর্থ সংগ্রহের দায়িত্ব মোঃ নজরুল ইসলাম, মেডিকেল টেকনোলজি, টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইনচার্জকে দেওয়া হয়েছে বলে আমার কাছে তথ্য রয়েছে। মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান, ইনচার্জ, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল—তাঁর সংশ্লিষ্টতার বিষয়টিও তদন্তের দাবি রাখে। দেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় তাদের জেলা কমিটি রয়েছে এবং এসব কমিটির মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ ও লেনদেন পরিচালিত হচ্ছে বলে আমার কাছে তথ্য রয়েছে। একই সঙ্গে Doctors Association Bangladesh (DAB)-এর একটি অংশের সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতার বিষয়টিও তদন্ত করা প্রয়োজন। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ২,০০০–৩,০০০ জন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও টেকনিশিয়ানকে বদলি করা হয়েছে বলে আমার কাছে তথ্য রয়েছে। অথচ সরকারি চাকরিতে কর্মরত মোট সংখ্যা প্রায় ৫,০০০। আমি দাবি করছি, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সকল বদলির নথি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা, ব্যাংক/মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল লেনদেন এবং যোগাযোগের তথ্য নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক। অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে জড়িত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ সাজা দেওয়া হোক।”