প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গা থেকে আওয়াজ তুলুন। একেকটি সচেতন কণ্ঠস্বরই একদিন দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করার শক্তি হয়ে উঠবে।
🟢 লাইভ ভিজিটর: ৬ জন📅 আজকের মোট ভিজিটর: ১০২৩ জন🗓️ গতকালের মোট ভিজিটর: ৬৩৫ জন📊 সর্বমোট ভিজিটর: ৬১৩৭৪ জন
#৩২০ব্যবসা প্রতিষ্ঠান
৳১০,০০০
চাঁদা দাবিদেওয়া হয়েছে
🗺️ ম্যাপ

ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

⌖ সকল প্রাইভেট ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং হাসপাতাল · গৌরনদী · বরিশাল · বরিশাল

“স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের লাইসেন্স নবায়ন এবং স্যানিটারি ইন্সপেক্টরদের নজরদারির বাইরেও মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্য খাতের বেশ কিছু নির্দিষ্ট জায়গায় নিয়মিত প্রাতিষ্ঠানিক চাঁদাবাজি ও অবৈধ লেনদেন চলে। প্রথমত, পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে বাধ্যতামূলক পরিবেশ ছাড়পত্র (Environmental Clearance) এবং ফায়ার সার্ভিস থেকে ফায়ার লাইসেন্স নেওয়া ও নবায়নের ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট শর্ত পালনের চেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও মধ্যস্বত্বভোগীদের ঘুষের দাবি। দ্বিতীয়ত, ডায়াগনস্টিক সেন্টারের এক্স-রে ও তেজস্ক্রিয় যন্ত্রপাতি পরিচালনার পরমাণু শক্তি কমিশন (BAEC) থেকে অনাপত্তিপত্র বা অ্যাপ্রুভাল নেওয়ার ধীরগতির প্রক্রিয়াকে সুযোগ হিসেবে নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পরিদর্শকরা নিয়মিত মাসোহারা দাবি করে। তৃতীয়ত, হাসপাতালে রেজিস্টার্ড নার্স, ডিপ্লোমা টেকনিশিয়ান ও প্রয়োজনীয় ডিউটি ডাক্তার নিয়োগের সরকারি অনুপাত বজায় রাখা গ্রামীণ ও উপজেলা পর্যায়ে বাস্তবসম্মত না হওয়ায় এই টেকনিক্যাল ঘাটতিগুলোকে ঢাল বানিয়ে থানা ও জেলা পর্যায়ের তদারকি দলগুলো প্রতি মাসে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেয়। এছাড়া ফার্মেসি বা হাসপাতালের ইন-হাউস ড্রাগ স্টোরের ড্রাগ লাইসেন্স নবায়ন এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার (Medical Waste Management) ছাড়পত্র পাওয়ার ক্ষেত্রেও সরকারি পরিদর্শন দলগুলোর অনৈতিক লেনদেনের সংস্কৃতি রয়েছে। ​পূর্বের সামারির সাথে এই বিষয়গুলো যুক্ত করলে মূল চিত্রটি দাঁড়ায়: একদিকে বাস্তবতাবিবর্জিত লাইসেন্সিং ও ড্রাগ, ফায়ার বা রেডিয়েশন ছাড়পত্রের মতো জটিল প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, অন্যদিকে প্রয়োজনীয় নার্স ও টেকনিশিয়ানের ঘাটতি—এই সবকিছুর সুযোগ নিয়ে স্যানিটারি ইন্সপেক্টর, থানা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও স্থানীয় পরিদর্শকরা নিয়মিত মাসোহারা আদায় করে। এই প্রাতিষ্ঠানিক চাঁদাবাজির কারণে প্রতিষ্ঠানগুলো টিকিয়ে রাখতে অনিয়মই নিয়ম হয়ে দাঁড়ায়, আর চূড়ান্ত পর্যায়ে পুরো অব্যবস্থাপনার দায় চাপিয়ে দেওয়া হয় মাঠপর্যায়ের চিকিৎসকদের ঘাড়ে।”

থানার ওসি, জেলা পুলিশ সুপার ও বিভাগীয় পুলিশ অফিসে ইমেইল পাঠানো হয়েছে।

← সব রিপোর্ট দেখুন

একই এলাকার অন্যান্য রিপোর্ট।

গৌরনদী · বরিশাল
#১৫৮জমি ও সম্পত্তি
৳১,০০০
জোরপূর্বক অর্থ আদায়দেওয়া হয়েছে
🗺️ ম্যাপ

জমি ও সম্পত্তি

⌖ সরিকল বাজার, গৌরনদী,বরিশাল · গৌরনদী · বরিশাল · বরিশাল

“সরিকল বাজারে ভুমি অফিসে জমির খাজনা দেওয়ার সময় খাজনা সর্বসাকুল্য ১০০/১৫০ আসার পরেও ১০০০ টাকা দিতে বাধ্য হই।”

থানার ওসি, জেলা পুলিশ সুপার ও বিভাগীয় পুলিশ অফিসে ইমেইল পাঠানো হয়েছে।
#১৫৭ভবন ও রিয়েল এস্টেট
৳৫,০০০
অন্যান্যদেওয়া হয়েছে
🗺️ ম্যাপ

ভবন ও রিয়েল এস্টেট

⌖ গৌরনদী বন্দর সাব-রেজিষ্ট্রী অফিস · গৌরনদী · বরিশাল · বরিশাল

“জমির এনওসি আনতে গেলে ৫০০০ টাকা দাবী করে এবং দেয়ার পরে ৭ দিন পর এনওসি প্রদান করে।”

থানার ওসি, জেলা পুলিশ সুপার ও বিভাগীয় পুলিশ অফিসে ইমেইল পাঠানো হয়েছে।
#১৪৯বাড়ি / আবাসিক এলাকা
৳১০,০০০
চাঁদা দাবিদেওয়া হয়েছে
🗺️ ম্যাপ

বাড়ি / আবাসিক এলাকা

⌖ সরিকল বাজার, গৌরনদী,বরিশাল · গৌরনদী · বরিশাল · বরিশাল

“সরিকল বাজার গৌরনদী বরিশালে ভবন নির্মান করার সময় ১০০০০ টাকা চান্দা দিতে হয়েছে ২০১৯ সালে নভেম্বর মাসে আওয়ামীলীগ নেতা নাসির মোল্লাকে।”

প্রমাণের ছবি বিস্তারিত ছবি দেখুন →
থানার ওসি, জেলা পুলিশ সুপার ও বিভাগীয় পুলিশ অফিসে ইমেইল পাঠানো হয়েছে।
Admin-কে জানান

এই কার্ডটি রিপোর্ট করুন