প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গা থেকে আওয়াজ তুলুন। একেকটি সচেতন কণ্ঠস্বরই একদিন দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করার শক্তি হয়ে উঠবে।
#৩৮৫অন্যান্য জনসমাগমস্থল
৳১০,০০,০০০
হুমকি বা ভয় দেখানোদাবি করা হয়েছে

অন্যান্য জনসমাগমস্থল

⌖ এসপি, ঢাকা জেলা সিআইডির আত্মীয়ের প্রভাবে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে যাওয়া, ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকি · পলাশ · নরসিংদী · ঢাকা

“আমি একজন ভুক্তভোগী। গত ২২ জুলাই ২০২৫ তারিখে আমার স্ত্রী ও সন্তানকে আমার কাছ থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই সময় আমার স্ত্রী আমার শ্বশুরবাড়িতে যেতে অনিচ্ছুক ছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, আমার স্ত্রীর দুলাভাই (বোনের জামাই) আরিফুল ইসলাম দিলীপ তার আত্মীয় এসপি, ঢাকা জেলা, সিআইডিতে কর্মরত—এই পরিচয় ও প্রভাব ব্যবহার করে আমার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও মেম্বারকে ফোন করে হুমকি দেন। এরপর তাদের মাধ্যমে চাপ সৃষ্টি করে আমার স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে যাওয়া হয়। ২২ জুলাই ২০২৫-এর পর থেকে প্রায় এক বছর ধরে আমি আমার স্ত্রী ও সন্তানকে দেখতে পারছি না এবং তাদের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে কোনো যোগাযোগও করতে পারছি না। তারা বর্তমানে কোথায় আছে এবং কেমন আছে, সে বিষয়েও আমাকে স্পষ্টভাবে কোনো তথ্য দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি তারা নিরাপদে ও জীবিত আছে কি না—এ নিয়েও আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এর মধ্যে আমার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। দাবি করা টাকা না দিলে আমার স্ত্রী ও সন্তানকে আমার কাছে পাঠানো হবে না এবং তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হবে না বলে আমাকে জানানো হয়েছে। আমি নিজে গিয়ে স্ত্রী ও সন্তানের খোঁজ নিতে চাইলে আমাকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। প্রায় এক বছর ধরে স্ত্রী ও সন্তানের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকা এবং এর সঙ্গে ১০ লাখ টাকা চাঁদার দাবি ও প্রাণনাশের হুমকির ঘটনা আমাকে চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে ফেলেছে। আমি আশঙ্কা করছি, আমার স্ত্রী ও সন্তানের নিরাপত্তাও ঝুঁকির মধ্যে থাকতে পারে। আমার আবেদন: ঘটনাটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা, আমাকে দেওয়া হুমকির বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া এবং সর্বোপরি আমার স্ত্রী ও সন্তানের বর্তমান অবস্থান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমার কাছে থাকা ফোন কল, মেসেজ, হুমকির তথ্য, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয় এবং অন্যান্য প্রমাণ প্রয়োজনে তদন্তকারী কর্তৃপক্ষকে প্রদান করতে প্রস্তুত আছি।”

ডিসি, এসপি ও এডিসিকে ইমেইল পাঠানো হয়েছে।

← সব রিপোর্ট দেখুন