অন্যান্য জনসমাগমস্থল
⌖ দুর্লভপুর দ্বিমুখি উচ্চ বিদ্যালয়,০১ নং ওয়ার্ড,০৩ নং খাজুরা ইউপি · নলডাঙ্গা · নাটোর · রাজশাহী
“দুর্ভপুর হাইস্কুল ২০০০ সালে স্থাপিত হলেও ২০২৪সালে এমপিও হয়। যারা শিক্ষক ছিলেন তারা অনেকদিন হলো বেতন পাচ্ছিলেন না। এর পরেও নতুন করে ৩ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ হয় এনটিআরসিএ এর মাধ্যমে। তিনারা ২ বছর যাবত শিক্ষকতা করে আসছিলেন। এদের মধ্যে একজন শিক্ষক *** তার এখানেই প্রথম নিয়োগ। তার বেতন আটকে ছিলো অনেক মাসের টাকার অংকে প্রাই ১৪০০০০ কিছু কম বেশি। বর্তমানে স্কুলে কোন কমেটি নেই। সেই সুযোগ নিয়ে সাবেক চেয়ারম্যেন মোঃ ভুট্টু শেখ তার বাম হাত মোঃ বিদ্দুত শেখ এবং ওই স্কুলের কেরানি মোঃ কাজি প্রাং এর যোগ সাজসে স্কুলে কোন কমেটি না থাকায় তিনারা ওই শিক্ষকের কাগজ উপজেলা শিক্ষা অফিস হতে পাশ করিয়ে দেবার কথা জানায়। শিক্ষক সরল মনে রাজি হলে তার সকল কাগজ পত্র স্বই করে বিদ্দুতের শেখ এর হাতে দেয়। স্থানিয় সূত্রে জানা গেছে যে সেই টাকা থেকে ১ টি পয়সাও সেই ভুক্তভুগী শিক্ষক পায়নি। পরে জানা গেছে যে সেই টাকা তারা তিন জন ভাগ করে নিয়েছে এবং তারা সেই শিক্ষক কে জানাই যে পরের মাস থেকে তার কোন বেতন আর আটকে থাকবে না সব সে পাবে। এই ঘটার সাথে সেই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ শিরাজুল ইসলাম পাশা তার কোন সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। বিদ্দুত শেখ, ভুট্টু শেখ (সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান )ও কাজি প্রাং এরা বিএনপির রাজনিতির সাথে জরিতো বলে এলাকাবাসি জানায়। শিক্ষকটি বাড়ি দুরে হওয়ায় ও নতুন চাকরি হওয়ায় প্রান ভয়ে সে কোন পদক্ষেপ নিতে পারেনি।”