ব্যবসা প্রতিষ্ঠান
⌖ ৮ নং ওয়ার্ড পাওয়ার হাউস গেট খালিশপুর, খুলনা খুলনা সিটি কর্পোরেশন · খালিশপুর · খুলনা · খুলনা
“গত ৫ই মার্চ, পবিত্র রমজান মাসে, খালিশপুর বণিক সমিতির সভাপতি আব্দুল মতিন বাচ্চুর ছোট ভাই শহিদুল ইসলাম সুজন, তার সহযোগী ইমরান এবং আরও ১০-১৫ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি জুলুম করে আমার প্রতিষ্ঠান লাকি ইলেকট্রনিক্স,বৃদ্ধ মা জাহানারা বেগমের মালিকানাধীন লাকি বেডিং হাউস, এবং আমাদের গোডাউন ও মেশিনঘর জবরদখল করে তালাবদ্ধ করে দেয়। একই দিনে ইফতারির পূর্ব মুহূর্তে আমাকে ও আমার স্ত্রী-সন্তানদের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে দেয়। আমাদের বাড়িতে বৃদ্ধা মাকে জিম্মি করে টানা ১০ দিন সুজন-ইমরান ও তাদের বাহিনী মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালায়।সভাপতি,সুজন,ইমরান এরা নজরুল ইসলাম টুলু সহায়তায় জোরপূর্বক পৈত্রিক সম্পত্তি স্ট্যাম্প স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা চালায় এবং ব্যর্থ হয়।এই নির্মমতার ফলে ১৬ই মার্চ, ২০২৬ তারিখে আমার মা গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে এলাকাবাসীর সহায়তায় অ্যাম্বুলেন্সে বয়রা ক্লিনিকে ভর্তি করা হলেও অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয় — কিন্তু কিছুদিন চিকিৎসাধীন থাকার পরে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। আমার মায়ের এই মৃত্যুর দায় সভাপতির ভাই কোনোভাবেই এড়াতে পারেন না। এই সুযোগে ঐদিন রাতে সুজন-ইমরান বাহিনী মিথ্যা প্রচার চালায় যে আমরা পরিবারসহ পালিয়ে গেছি, এবং আমাদের বাড়ি তালা মেরে দেয় । এরপর সভাপতি নিজের ভাইকে সুজনকে আইনের আওতা থেকে বাঁচাতে বণিক সমিতির ক্ষমতা অপব্যবহার করে ৭ই মে, ২০২৬ তারিখে অন্য নেতৃবৃন্দকে বিভ্রান্তিকর কথা বলে আমাদের দোকান, বাড়ি ও গোডাউন একতরফাভাবে সিলগালা করিয়ে দেয়। এই বিরোধের সাথে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নই — তবুও আমার দোকান বাড়ি জুলুম করে আটকে রেখেছে । আজ আমার পরিবার চরম দুর্দশার মধ্যে দিন যাপন করছে। আমার দোকান-বাড়ি অবৈধভাবে সিলগালা করে রেখেছে। সভাপতির ভাই সুজনের হুমকিতে আমার দুই কন্যাসন্তানের স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে, তাদের ভবিষ্যৎ আজ অন্ধকারে। সুজন পিস্তল এর ভয় ও হুমকি দিয়ে আমাকে ও আমার পরিবারসহ এলাকা ছাড়তে বাধ্য করেছে।”