ব্যবসা প্রতিষ্ঠান
⌖ আমার ভগ্নিপতের প্রতিষ্ঠান · সিদ্ধিরগঞ্জ · নারায়ণগঞ্জ · ঢাকা
“আমার দুলাভাই নারায়ণগঞ্জে ছোটখাটো একটি ব্যবসা পরিচালনা করেন। ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে তিনি একজন কাস্টমারের কাছ থেকে প্রায় ২,২০,০০০ (দুই লাখ বিশ হাজার) টাকা মূল্যের কিছু স্বর্ণ ক্রয় করেন। পরবর্তীতে জানা যায়, ওই কাস্টমার স্বর্ণগুলো চুরি করে নিয়ে এসেছিল। তবে আমার দুলাভাই স্বর্ণগুলো চুরি করা ছিল—এ বিষয়ে কিছুই জানতেন না। পরবর্তীতে স্বর্ণের প্রকৃত মালিক সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় এ বিষয়ে মামলা করেন। মামলা হওয়ার পর ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে আমার দুলাভাইকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। থানায় নেওয়ার পর আমার দুলাভাইয়ের ওপর বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করা হয় এবং তাকে জেলে পাঠিয়ে দেওয়া হবে বলে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়। একইসঙ্গে তার কাছে টাকা দাবি করা হয় বলেও আমরা জানতে পারি। এ অবস্থায় আমার ছোট বোন আমাকে ফোন করে বিষয়টি জানায়। পরে আমি অন্য একটি সূত্রের মাধ্যমে বিষয়টি তদন্তের ব্যবস্থা করি এবং থানায় ফোন করানো হয়। এরপর পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয় এবং থানার মধ্যেই একটি শালিশ/সমঝোতার ব্যবস্থা করা হয়। পরবর্তীতে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে থানায় একটি সালিশের আয়োজন করা হয়। সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সালিশের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাদীর কাছ থেকে ২,২০,০০০ (দুই লাখ বিশ হাজার) টাকা নেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে সেই টাকা/সমঝোতার ভিত্তিতে বাদীকে আমার দুলাভাইয়ের কাছ থেকে নেওয়া স্বর্ণটি ফেরত দেওয়া হয়। উক্ত ২,২০,০০০ টাকা থেকে আমার দুলাভাইকে ১,৫০,০০০ (এক লাখ পঞ্চাশ হাজার) টাকা ফেরত দেওয়া হয়। কিন্তু অবশিষ্ট ৭০,০০০ (সত্তর হাজার) টাকা কোথায় গেল, কার কাছে দেওয়া হয়েছে, অথবা বাদী ওই টাকা পেয়েছেন কি না—এ বিষয়ে আমাদেরকে কোনো পরিষ্কার তথ্য অবশিষ্ট ৭০,০০০ টাকা কার কাছে রয়েছে বা কাকে প্রদান করা হয়েছে এবং কোন উদ্দেশ্যে ওই টাকা রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে থানার পক্ষ থেকে আমাদেরকে কোনো স্বচ্ছ ব্যাখ্যা বা হিসাব প্রদান করা হয়নি।”