বাড়ি / আবাসিক এলাকা
⌖ House 4, Road 10,Pisciculture Housing Society, Sekhertek, Adabor,Dhaka 1207 · আদাবর · ঢাকা · ঢাকা
“। গত ২৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে আমাদের সাবেক গৃহপরিচালিকা রেখা তার কথিত ছোট ভাই , মোঃ মনির এবং আরও কয়েকজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের বাসায় কোন কারন ছাড়াই হাজিড় হয় রেখা ও তার সঙ্গে আসা ব্যক্তিরা প্রথমে ভবনের নিচে অবস্থান করেন। ভবনের নিরাপত্তারক্ষী তাদের বাধা দিলে তারা নিরাপত্তারক্ষীর সঙ্গে উচ্চবাচ্য করেন এবং ইন্টারকমের মাধ্যমে আমাদের ফ্ল্যাটে ফোন করে আমাদের নিচে আসতে বলেন। রেখার সঙ্গে কথা বলে আমরা বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নেওয়ার চেষ্টা করি এবং তাকে উপরে আসতে বলি। পরবর্তীতে রেখা আমাদের অনুরোধ করেন নিচে যেতে, কারণ তার ছোট ভাই আমাদের সঙ্গে পাওনা সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলতে চান। আমরা রেখাকে স্পষ্টভাবে জানাই যে, তার প্রাপ্য পাওনা/বেতন ইতোমধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে। কিন্তু রেখা দাবি করেন যে, আরও কিছু টাকা, বিশেষ করে কথিত সুদের টাকা, নিয়ে আলোচনা করতে হবে। তার কথায় আমরা নিচে গেলে সেখানে মোঃ মনিরসহ আরও ৩/৪ জন ব্যক্তি আমাদের ঘিরে উচ্চবাচ্য করতে থাকেন এবং অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ও চাপ সৃষ্টিকারী আচরণ করেন। তারা দাবি করতে থাকেন যে, রেখার ২০,০০০/- টাকা বেতনসহ মোট প্রায় ২,০০,০০০/- টাকা আমরা এখনও পরিশোধ করিনি। একপর্যায়ে তারা আমাদের কাছ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে একটি কাগজে/স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা করেন এবং বলেন যে, ২ দিনের মধ্যে অর্থাৎ ৩০ আগস্ট ২০২৬ তারিখের মধ্যে টাকা পরিশোধ করতে হবে। ঘটনার আকস্মিকতা ও তাদের সম্মিলিত চাপের কারণে আমরা অত্যন্ত ভীত ও হতবিহ্বল হয়ে পড়ি। আমার স্ত্রী তাদের কাছে জানতে চান, উক্ত দাবির পক্ষে কোনো হিসাব, প্রমাণ, রসিদ, ডকুমেন্ট বা লিখিত কাগজপত্র আছে কি না। তখন মোঃ মনির বলেন যে, তারা সর্বোচ্চ ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সময় দিচ্ছেন এবং এর মধ্যে টাকা পরিশোধ না করলে আমাদেরকে “গ্যাঞ্জাম”-এর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে—এ ধরনের হুমকিসূচক বক্তব্য প্রদান করেন। আমার স্ত্রী থানায় বসে বিষয়টি মীমাংসা করার কথা বললে মোঃ মনির উত্তেজিত হয়ে বলেন, “থানা-টানা বাদ দেন, যা বলি শুনেন”—এবং আইনগত প্রক্রিয়ার পরিবর্তে তার কথামতো বিষয়টি মেনে নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। তিনি আরও এমনভাবে কথা বলেন, যাতে আমাদের মনে হয় তিনি প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেও আমাদের জন্য সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।”