অন্যান্য জনসমাগমস্থল
⌖ আনোয়ারা চট্টগ্রাম ৭নং ইউনিয়ন ৩নং ওয়ার্ড · আনোয়ারা · চট্টগ্রাম · চট্টগ্রাম
“শিরোনাম: ইয়াবাসহ আটক উজ্জ্বল বৈদ্যকে কীভাবে ছাড়িয়ে নেওয়া হলো? ৭০ হাজার টাকা লেনদেন ও প্রভাব খাটানোর অভিযোগ চট্টগ্রামের আনোয়ারা থানার বোয়ালগাঁও গ্রামের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা উজ্জ্বল বৈদ্য (বয়স আনুমানিক ২৭ বছর), পিতা—রাখাল বৈদ্য-কে সম্প্রতি ইয়াবাসহ পুলিশ আটক করেছিল বলে স্থানীয়ভাবে অভিযোগ ও তথ্য পাওয়া গেছে। কিন্তু আটকের পর তাকে কীভাবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় ছেড়ে দেওয়া হলো—এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে। স্থানীয় অভিযোগ অনুযায়ী, উজ্জ্বল বৈদ্যকে ছাড়িয়ে নিতে প্রায় ৭০ হাজার টাকা লেনদেন হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এই অর্থের বিনিময়ে তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এ ঘটনায় আশিষ সরকার ও প্রণব সরকার নামের দুই ব্যক্তির ভূমিকা ছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে। আশিষ সরকার কোনো সরকারি কর্মকর্তা নন; তিনি একজন কর্মকর্তার ব্যক্তিগত/বেসরকারি ড্রাইভার হিসেবে কাজ করেন বলে জানা যায়। প্রশ্ন হলো, একজন বেসরকারি ড্রাইভার কীভাবে মাদক মামলায় আটক একজন ব্যক্তিকে ছাড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করতে পারেন? অন্যদিকে স্থানীয় তথ্য অনুযায়ী, প্রণব সরকার পুলিশের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন/আছেন। তিনি যদি আনোয়ারা থানার বাইরে অন্য কোনো জেলা বা ইউনিটে কর্মরত পুলিশ সদস্য হয়ে থাকেন, তাহলে তার ফোন বা সুপারিশের ভিত্তিতে আনোয়ারা থানার পুলিশ কোনো আটক ব্যক্তিকে ছেড়ে দিয়েছিল কি না, সেটিও তদন্তের বিষয়। বিশেষ করে ৭০ হাজার টাকা কার কাছ থেকে কার কাছে গেছে, কে টাকা সংগ্রহ করেছে, কার মাধ্যমে সমঝোতা হয়েছে এবং এর বিনিময়ে উজ্জ্বল বৈদ্যকে কীভাবে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে—এসব বিষয় নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। অনুরোধ করছি, আনোয়ারা থানার আটক ও জব্দের রেকর্ড, মামলা সংক্রান্ত নথি, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং উজ্জ্বল বৈদ্যকে ছেড়ে দেওয়ার আইনি প্রক্রিয়া যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা অনুসন্ধান করা হোক। এই অভিযোগের উদ্দেশ্য কাউকে আগেই অপরাধী সাব্যস্ত করা নয়; বরং ৭০ হাজার টাকা লেনদেন, প্রভাব খাটানো এবং পুলিশি প্রক্রিয়ার প্রকৃত ঘটনা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে জনগণের সামনে তুলে ধরা।”