প্রত্যেকে নিজ নিজ জায়গা থেকে আওয়াজ তুলুন। একেকটি সচেতন কণ্ঠস্বরই একদিন দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করার শক্তি হয়ে উঠবে।
🟢 লাইভ ভিজিটর: ৫ জন📅 আজকের মোট ভিজিটর: ২৪৬ জন🗓️ গতকালের মোট ভিজিটর: ৬৩৫ জন📊 সর্বমোট ভিজিটর: ৬০৫৯৭ জন
#৪৪পরিবহন ও টার্মিনাল
৳৫০
চাঁদা দাবিদাবি করা হয়েছে
🗺️ ম্যাপ

পরিবহন ও টার্মিনাল

⌖ ধুনট মোর, রনবীর বাল ব্রিজ · শেরপুর · বগুড়া · রাজশাহী

“প্রতিবেদন বিষয়: ধুনট মোর–রনবীর বালা ব্রিজ এলাকায় বিভিন্ন যানবাহন থেকে টোকেনের মাধ্যমে চাঁদা আদায় এবং এর ফলে যানজট সৃষ্টির বিষয়ে প্রতিবেদন। প্রাপ্ত তথ্য ও স্থানীয় পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ধুনট মোর–রনবীর বাল ব্রিজ এলাকায় প্রতিনিয়ত রিকশা, ভ্যান, পিকআপ, ট্রাকসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহন থেকে টোকেনের মাধ্যমে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে বলে জানা যায়। বিশেষ করে ব্রিজের ওপর দিয়ে চলাচলকারী বড় ট্রাক ও অন্যান্য পণ্যবাহী যানবাহন থেকে চাঁদা আদায়ের সময় ব্রিজের মাথায় গাড়ি থামিয়ে রাখা হয়। এর ফলে ওই সময় ব্রিজের ওপর যান চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়ে সাময়িকভাবে যানজটের সৃষ্টি হয়। বড় ট্রাক দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকলে পেছনে অন্যান্য যানবাহনের সারি তৈরি হয় এবং স্বাভাবিক যান চলাচল ব্যাহত হয়। স্থানীয়ভাবে জানা যায়, রিকশা, ভ্যান, পিকআপ ও ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন থেকে নিয়মিতভাবে টোকেনের মাধ্যমে অর্থ আদায় করা হয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের কারণে একদিকে যেমন যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে, অন্যদিকে ব্রিজের ওপর অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে যানবাহন থামানোর ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। সার্বিকভাবে, ধুনট মোর–রনবীর বাল ব্রিজ এলাকায় যানবাহন থেকে টোকেনের মাধ্যমে অর্থ আদায় এবং চাঁদা আদায়ের সময় ব্রিজের ওপর যানবাহন থামিয়ে রাখার বিষয়টি যানজট ও জনদুর্ভোগের অন্যতম কারণ হিসেবে প্রতীয়মান হচ্ছে। বিষয়টি যথাযথভাবে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে ব্রিজ এলাকায় যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং জনসাধারণের ভোগান্তি কমানো সম্ভব হবে।”

থানার ওসি, জেলা পুলিশ সুপার ও বিভাগীয় পুলিশ অফিসে ইমেইল পাঠানো হয়েছে।

← সব রিপোর্ট দেখুন

একই এলাকার অন্যান্য রিপোর্ট।

শেরপুর · বগুড়া
#৭১২অন্যান্য জনসমাগমস্থল
৳৫০,০০০
ঘুষ দাবি বা গ্রহণদেওয়া হয়েছে
🗺️ ম্যাপ

অন্যান্য জনসমাগমস্থল

⌖ সান্তাহার রেলওয়ে থানা · আদমদীঘি · বগুড়া · রাজশাহী

“সান্তাহার রেলওয়ে থানায় কর্মরত সকল ফোর্সের নিকট হতে গাড়িতে ডিউটি করলে প্রতেক গাড়ি থেকে নেমে ওসি কে টাকা দিতে হয়, না দিলে রোলকল নিয়ে ফোসের সাথাথে খারাপ আচরণ করে। এই টাকা তোলে কনেষ্টবল আকরাম এবং সান্তাহার রেলওয়ে স্টেশনের ০২ নং প্লাটফর্মে রাত্র...” আরও পড়ুন →

থানার ওসি, জেলা পুলিশ সুপার ও বিভাগীয় পুলিশ অফিসে ইমেইল পাঠানো হয়েছে।
#৫৮৬অন্যান্য জনসমাগমস্থল
৳২০০
অন্যান্যদেওয়া হয়েছে
🗺️ ম্যাপ

অন্যান্য জনসমাগমস্থল

⌖ সাতমাথা সহ শহরের মেইন রাস্তা সমূহ · বগুড়া সদর · বগুড়া · রাজশাহী

“বগুড়া শহরের সাতমাথায় সবসময় হকার বসে পুলিশ নাম মাত্র অভিযান করে নাটক করে এখানে শুধু কিছু ফলের দোকান কে উচ্ছেদ করা হয় কিন্তু কাপড়ের শত শত দোকান বসে রাস্তায় কিছু বলে না চাঁদা খেয়ে তারা চুপ করে থাকে এই ঘটনার সাথে সিটি কর্পোরেশন পুলিশ নে...” আরও পড়ুন →

থানার ওসি, জেলা পুলিশ সুপার ও বিভাগীয় পুলিশ অফিসে ইমেইল পাঠানো হয়েছে।
#৫৭৪অন্যান্য জনসমাগমস্থল
৳১,০০০
ঘুষ দাবি বা গ্রহণদেওয়া হয়েছে
🗺️ ম্যাপ

অন্যান্য জনসমাগমস্থল

⌖ বি এমএডি অফিস · বগুড়া সদর · বগুড়া · রাজশাহী

“বি এম এডি ফিংগার দেওয়া জন্য। টাকা নিয়ে ছিল । 1000 টাকা ।”

প্রমাণের ছবি বিস্তারিত ছবি দেখুন →
থানার ওসি, জেলা পুলিশ সুপার ও বিভাগীয় পুলিশ অফিসে ইমেইল পাঠানো হয়েছে।
#৫৭৩অন্যান্য জনসমাগমস্থল
৳১,০০০
ঘুষ দাবি বা গ্রহণদেওয়া হয়েছে
🗺️ ম্যাপ

অন্যান্য জনসমাগমস্থল

⌖ বি এমএডি অফিস · বগুড়া সদর · বগুড়া · রাজশাহী

“বি এম এডি ফিংগার দেওয়া জন্য। টাকা নিয়ে ছিল । 1000 টাকা ।”

প্রমাণের ছবি বিস্তারিত ছবি দেখুন →
থানার ওসি, জেলা পুলিশ সুপার ও বিভাগীয় পুলিশ অফিসে ইমেইল পাঠানো হয়েছে।
#৫৩৩বাড়ি / আবাসিক এলাকা
৳১০,০০০
চাঁদা দাবিদেওয়া হয়েছে
🗺️ ম্যাপ

বাড়ি / আবাসিক এলাকা

⌖ মাটিডালি রাস্তা সাইড থেকে একটু ভিতরে · বগুড়া সদর · বগুড়া · রাজশাহী

“৭ বৎসর আগে জায়গাটি কিনে ছিলাম, মসজিদের কিছু টাকা দান করলাম, হুজুর বললো কেউ কিছু চাইলে বলবে মসজিদে দান করেছি. ৩ দিন হইলো জমির সাইড দিয়ে বাউন্ডারি দিচ্ছিলাম, কিন্তু আজ দেখলাম কে বা কারা বাউন্ডারি ভেঙে দিয়েছে. খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম বৎসর স...” আরও পড়ুন →

প্রমাণের ছবি বিস্তারিত ছবি দেখুন →
থানার ওসি, জেলা পুলিশ সুপার ও বিভাগীয় পুলিশ অফিসে ইমেইল পাঠানো হয়েছে।
#৫০৪জমি ও সম্পত্তি
৳১৫,০০০
ঘুষ দাবি বা গ্রহণদেওয়া হয়েছে
🗺️ ম্যাপ

জমি ও সম্পত্তি

⌖ পৌর ভুমি অফিসের অপারেটর তৌহিদও দপ্তরি বরিন · সোনাতলা · বগুড়া · রাজশাহী

“জমির খারিচ করার জন্য গেলে অয়াথা ভুল ধরে। ওবিভিন্য ছলচাতুরি কথা বলে ১৫০০০/- টাকা গ্রহন করে।সাথে আনু: ৫০ জনের বেশি বিভিন্য দালাল সংযুক্ত আছে যেমন - হারুন, নয়ন,”

প্রমাণের ছবি বিস্তারিত ছবি দেখুন →
থানার ওসি, জেলা পুলিশ সুপার ও বিভাগীয় পুলিশ অফিসে ইমেইল পাঠানো হয়েছে।
Admin-কে জানান

এই কার্ডটি রিপোর্ট করুন